আমাদের সনাতন বৈদিক সিদ্ধান্ত অনুসারে ভক্ত গন মূর্তি পুজা করেন না ,তারা পরমাত্মার পুজা করেন । বিশেষত্ব হল এই যে , যে পরমাত্মা ব্যপ্তিস্বরুপ, তাকে বিশেষ ভাবে অনুধাবন করার জন্যই মূর্তি তৈরি করে , ঐ মূর্তির মধ্যে ধ্যান এবং চিন্তন করা সহজ সাধ্য হয় । যদি মূর্তিরই পুজা করা হত তাহলে পুজকের ভিতর সেই পাথরের মূর্তি সম্পর্কে এরুপ ভাব হত যে " হে প্রস্তর খণ্ড তুমি কোন একটি পর্বত হতে এসেছ ,কোন এক ব্যক্তি দ্বারা তোমাকে এখানে আনা হয়েছে । অতএব হে প্রস্তর দেব , তুমি আমার কল্যাণ কর । কিন্তু এমন কেউ বলে না । তাহলে মূর্তির পুজা কিভাবে হল ? ভক্তরা মূর্তির পুজা করেন না , কারন তারা মূর্তিতে ভগবানেরই পুজা করেন অর্থাৎ মূর্তি ভাব দূর করে ভগবতভাবে পুজা করেন । এইভাবে মূর্তিতে ভগবানের পুজা করলে সর্বত্রই ভগবানের অনুভব হয় । ভগবতপুজায় ভগবানের প্রতি ভক্তিভাবের প্রথম সঞ্চার হয় । পরে ভক্ত সিদ্ধ হয়ে গেলেও তাঁর দ্বারা ভগবানের পুজা চলতে থাকে ।
মুরতিরুপে তাকে পুজার বিষয়ে গীতায় ভগবান বলেছেন "ভক্ত গন ভক্তি পূর্বক আমাকে প্রনাম করে আমায় পুজা করেন " " যে ভক্ত গন শ্রদ্ধা এবং ভক্তি পূর্বক প্ত্র পুস্প ফল জল ইত্যাদি আমাকে অর্পণ করেন , তাদের দেওয়া উপাচার আমি গ্রহণ করে থাকি ।"
বিষ্ণু শিব শক্তি গণেশ সূর্য প্রভৃতি দেবতা আচার্য ব্রাম্নন মাতা পিতা প্রমুখ গুরুজন এবং জ্ঞানী মহাত্মা দের পুজা করাকে শারীরিক তপ বলা হয় । যদি সনমুখে এদের মূর্তি না থাকে তাহলে কাকে নমস্কার করব ? কাকে পত্র ফুল ফল জল দেব ? কাকেই বা কার পুজা করব ?
এতে প্রমাণিত হয় যে গীতায় মূর্তি পুজার কথা বলা হয়েছে ।
মুরতিরুপে তাকে পুজার বিষয়ে গীতায় ভগবান বলেছেন "ভক্ত গন ভক্তি পূর্বক আমাকে প্রনাম করে আমায় পুজা করেন " " যে ভক্ত গন শ্রদ্ধা এবং ভক্তি পূর্বক প্ত্র পুস্প ফল জল ইত্যাদি আমাকে অর্পণ করেন , তাদের দেওয়া উপাচার আমি গ্রহণ করে থাকি ।"
বিষ্ণু শিব শক্তি গণেশ সূর্য প্রভৃতি দেবতা আচার্য ব্রাম্নন মাতা পিতা প্রমুখ গুরুজন এবং জ্ঞানী মহাত্মা দের পুজা করাকে শারীরিক তপ বলা হয় । যদি সনমুখে এদের মূর্তি না থাকে তাহলে কাকে নমস্কার করব ? কাকে পত্র ফুল ফল জল দেব ? কাকেই বা কার পুজা করব ?
এতে প্রমাণিত হয় যে গীতায় মূর্তি পুজার কথা বলা হয়েছে ।
No comments:
Post a Comment